কাজু বাদাম অত্যন্ত সুস্বাদু একটি বাদাম। কাজু গাছ (বৈজ্ঞানিক নাম Anacardium occidentale;) সপুষ্পক অ্যানাকার্ডিয়েসি পরিবারের বৃক্ষ। এটি একটি অর্থকরি ফসল। এ গাছের বীজ থেকে চারা তৈরি করা হয়। বেলে দো আশঁ মাটি অথবা পাহাড়ের ঢালে ভাল জন্মে।
কাজুবাদাম সাধারণত ভেজে খাওয়া হয়। পাহাড়ি এলাকায় সাধারণত কাজুবাদামকে দা দিয়ে কেটে খুঁচিয়ে শাঁস বের করা হয়। তারপর রোদে শুকিয়ে বীজের আবরণ তুলে ফেলা হয়। লবণ-জলে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে তারপর ভাজা হয়। এতে লবণাক্ত স্বাদের কাজুবাদাম পাওয়া যায়। আর মিষ্টি স্বাদের কাজুবাদামের জন্য বাদাম ভাজার পর চিনির শিরায় ডুবিয়ে নেওয়া হয়। বিভিন্ন খাদ্যের স্বাদ বাড়ানোর জন্যও কাজুবাদাম ব্যবহার করা হয়।
কিডনি আকৃতির বীজ কাজু বাদাম গন্ধ ও স্বাদে মিষ্টি-জাতীয়। ওজন হ্রাস, রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর হৃদপিণ্ড গঠন, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার প্রতিরোধ, ত্বক ও চুলের সুরক্ষায় এটি এক দারুণ পুষ্টিকর খাবার।
Best Selling Products
কাজু বাদামের উপকারিতা :
১। হাড় মজবুত করে: রাতে দুধের সঙ্গে ভিজিয়ে রাখবেন কাজু। সারা রাত দুধে ভিজিয়ে রাখা কাজু সকালে খেলে বার্ধক্যে হাড়ের ক্ষয় নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কাজু এবং দুধ দুটোতেই রয়েছে ভিটামিন কে, মিনারেলস, ভিটামিন বি৬ এর মতো কার্যকরী উপাদান। যা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে পেশির ব্যথা, যন্ত্রণাও উপশম করে।
২। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার সমাধান: যারা দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য দুধে ভেজানো কাজু হতে পারে এক মহৌষধ। কাজুতে রয়েছে ফাইবারের মতো উপাদান, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেটের সমস্যার সমাধানও করে থাকে।
৩। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি: বর্তমান সময়ে ফাস্টফুডজাতীয় খাবার, অনিয়ম, বিরূপ আবহাওয়াসহ নানা কারণে মানষের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এ কারণে রোগের সঙ্গে লড়াই করার জন্য শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য ভরসা রাখতে পারেন দুধে ভেজানো কাজুবাদামের ওপর।
৪। রক্তের সমস্যা দূর: কাজুবাদামে কপার বা তামার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। এ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রক্তরোগ দূর করতে কার্যকরী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তে কপারের অভাব হলে লৌহ স্বল্পতাও শরীরে দেখা দেয়, যা রক্তশূন্যতা তৈরি করে। দুধে ভেজানো কাজুবাদাম এ সমস্যা সমস্যা সমাধানে দারুণ কাজ করে।
আমাদের উপর কেন আস্থা রাখবেন??
পণ্য হাতে পেয়ে দেখে, কোয়ালিটি চেক করে পেমেন্ট করার সুবিধা। প্রডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন দিতে পারবেন। সারা বাংলাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে হোম ডেলিভারি নিতে পারবেন। সার্বক্ষনিক আমাদের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।